শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ০৫:০৭ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
বিডি ২৪ ক্রাইম সাথে থাকুন। আপডেট খবর পড়ুন

পটুয়াখালীর গলাচিপায় প্রধানমন্ত্রীর ঘরের আশায় অসহায় পরিবারটি স্বপ্ন বুনছে

রির্পোটারের নাম / ১৮১ বার প্রিন্ট / ই-পেপার প্রিন্ট / ই-পেপার
আপডেট সময় :: রবিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ৫:৪৬ পূর্বাহ্ণ

স্টাফ রিপোর্টার মোঃহা-মীম

উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের বদরপুর গ্রামের অনিতা রানী এর পরিবার অসহায় জীবনযাপন করছে। অন্যের বাড়িতে আশ্রিত থেকে চলছে তাদের বসবাস। জানা যায়,গোলখালী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের অধন্য চন্দ্র দাস এর মেয়ে অনিতা রানী তার পরিবারের সদস্য সংখ্যা পাঁচজন।

অনিতা রানীর দুটি ছেলে একটি মেয়ে

প্রথম ছেলে সজিব(১১)হৃদয়(৮)ছোট মেয়ে মুক্তি(৪)

সন্তানদেরকে নিয়েই তারা ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখছে। কিন্ত অনিতা রানীর একমাত্র আয়ে সংসার চলছে খুব কষ্ট করে। তাদের সন্তানদের লেখাপড়া করানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে।অনিতা রানী অন্যের বাড়ীতে কাজ করে। কাজ করে সংসার চালায় এ বিষয়ে অনিতা রানী জানান, আমার স্বামী স্বপন চন্দ্র দাস স্বামী আমার শারিরীক ভাবে তিনি পরিশ্রম করলেই অসুস্থ হয়ে পরে তাই দারিদ্রতা আমাদের নিত্য সঙ্গী। আশা ছিলো ছেলেদের পড়ালেখা করিয়ে মানুষ করবো কিন্তু আমার ঘর বাড়ি জায়গা জমি না থাকায় আমি আমার সন্তানকে মানুষ করতে পারতেছিনা।

এখন আমি একা যা ইনকাম করি তা দিয়ে সংসার চলে না অসহায় হয়ে পড়েছি। আমি অসুস্থ থাকলে ঘরের উনুন জলে না। সে দিন না খেয়ে থাকতে হয়। তাই বাধ্য হয়ে অন্যের ঘরে আশ্রিত হিসেবে থাকি। কিন্তু নিজের ঘর না থাকলে তো পরাধীন ব্যক্তির মতো মনে হয় নিজেকে। তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার একটি ঘর পেলে বাকি জীবনটা সুখে কাটাতে পারতাম। অন্য মানুষের বাড়িতে আর কতদিন থাকবো। এ বিষয়ে অনিতা রানী জানান আমরা থাকি অন্য মানুষের বাসায়, খুব কষ্টে।

অন্য মানুষের বাড়িতে থাকি বলে প্রায় সময়ই তাদের কথা শুনতে হয়। আমাকে যদি সরকারীভাবে একটি ঘর দিত তাহলে আমরা সরকারের কাছে চির ঋণী থাকতাম। এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃনাসির উদ্দিন হাওলাদার বলেন অধন্য চন্দ্র দাস এর মেয়ে অনিতা রানী তার পরিবার নিয়ে অনেক কষ্ট করেন। তাদের পরিবার মানবেতর জীবন যাপন করছেন। সরকারীভাবে তাদেরকে একটি ঘর দিলে পরিবারটির অনেক উপকার হয়

 

সরকারীভাবে একটি ঘর তারা প্রাপ্য। এ বিষয়ে ইউপি সদস্য মোঃদুলাল মেম্বার বলেন আমার ওয়ার্ডে ওদের মত অসহায় খুব কম লোকই আছে। বাপ-দাদার দুই শতক জমিও নাই যে কষ্ট করে ঘর তুলে রাত যাপন করবে।তাদের একটি ঘর খুব প্রয়োজন গোলখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ নাসির উদ্দীন বলেন অনিতা রানীর পরিবার আসলেই অসহায়। তার স্বামীও অন্য মানুষের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছে। সরকারীভাবে অনিতা রানী একটি ঘর পেলে তারা সুন্দরভাবে জীবন যাপন করতে পারবে।

এ বিষয় গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃমহিউদ্দিন আল হেলাল বলেন দরখাস্ত করতে বলেন বিষয়টি আমি দেখবো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার মতামত লিখুন
Theme Created By ThemesDealer.Com