সাবেক তথ্যমন্ত্রী ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে ১১ কোটি ৮৮ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদের মামলায় আদালতে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় এই পদক্ষেপ নেয়া হয়। রবিবার (২৭ জুলাই) মহানগর দায়রা জজ এর বিচারক জাকির হোসেন গালিব এই আদেশ দেন। মামলার শুনানিকালে দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা আদালতকে জানান, ইনুর বিরুদ্ধে তদন্তে অবৈধ সম্পদের সুস্পষ্ট প্রমাণ মিলেছে। সে অনুযায়ী তাকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়, যা আদালত গ্রহণ করেন।
শুনানির এক পর্যায়ে ইনুর উদ্দেশ্যে বিচারক বলেন, আপনারা ক্ষমতায় থাকাকালীন আদালতের কোনো উন্নয়ন করে যাননি। সরকারের কাজকে আপনারা আরো জটিল করেছেন।এ সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ সেলিম আদালতের উদ্দেশ্যে বলেন, আদালতে নিরাপত্তার অভাব রয়েছে। তাকে সব আসামির সঙ্গে এক জায়গায় রাখা হয়েছে।
তাছাড়া হাজতখানায় উন্নত টয়লেটের ব্যবস্থা নেই। এগুলো উন্নত করা প্রয়োজন। তখন বিচারক ইনুর উদ্দেশ্যে বলেন, আমরা এখনো এনালগ সিস্টেমে আছি। আপনারা ক্ষমতায় থেকেও ডিজিটাল সিস্টেম করতে পারেন নি।ডিজিটাল সিস্টেম হইলে আপনাদের আদালতে আসা লাগতো না। কারাগারে রেখে বিচার করতে পারতাম।তখন ইনু বলেন, আদালতে জেল-ফাঁসি যাই দেন সমস্যা নেই।
কিন্তু দুদক বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে বিচারের আগেই মিডিয়া ট্রায়াল করেছে। এর থেকে পরিত্রাণ চাই।তখন বিচারক বলেন, অভিযোগ আসলে মিডিয়া তা প্রকাশ করবেই। পরে আদালত এ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। দুদকের অভিযোগে বলা হয়, অবৈধ উপায়ে জ্ঞাত আয় বর্হিভূত ৪ কৌটি ৮৪ লক্ষ ও ৪ টি ব্যাংক একাউন্টে ৬ কৌটি ৫ লক্ষ জমা ও ৫ কৌটি ৮২ লক্ষ টাক উত্তোলন মোট ১১ কৌটি ৮৮ লাখ টাকা সন্দেহ জনক লেনদেন হওয়াই, মানি লন্ডারিং মামলা করে দুদক।